1 | 2

জীবনটা ছিল  বড়ই সরল প্রথম বয়সে

খেয়ালীমন চলেছিলদিশাহীনপথে হাস্যে উপহাসে

যদিও ছিল চোখের জল ছিল না তার বিষানল

শুধুই ছিল ভাবনা হীন সরল ললাট

জীবন  সমুদ্র  পার  করতে  হবে  যে

কতই না  ছিল  আশা  আকাঙ্খা

বুকে  ছিল  ভালোবাসা  অফুরন্ত

তুমি  আসবে  বলে  না  এলেও  রাগ  হতোনা  তখন ………

অভিমানীমন  টা  তখন  শান্ত  হতো  ভেবে ………

তুমি  নিশ্চয়ই  আসবে  ভালোবাসা  নিতে

জীবন  তখন দেওয়া নেওয়ার অঙ্ক কষতেশেখে নিখেয়ালী  আকাশের  বুকে …..

অকৃপণ মন দিয়েছে অফুরন্ত

………………………………………………………………………………………………………………

হঠাৎদেখি  মেঘে  আকাশ থমথম

কালো  কালো  মেঘের  ভেলা

নীড়ে  ফিরে  যাচ্ছে  পাখি

আকাশের  মর্মভেদী  তীব্র  গর্জন

তবে কি একটু থামতে  হবে ?

বৃষ্টি নামবে এই  বেলা  ?

তবে কি কেউ  বলছে  আমায়  তৈরী  থেকো ….

এবার  আসছি  তোমায়  নিতে

অশান্ত মন শান্ত  করে  নিজেকে

দূর! পাগল এ সবই  ভ্রান্ত ধারণা

এখনো  তো  অনেক  বেলা  বাকি

চাওয়া  পাওয়ার  হিসেবটা-ই  করিনি এখনো শুরু ….

এখনো  তো  ভোরের আকাশেস্বর্নিম সূর্য কে দেখতে বড়ই ভালো লাগে

ভাষাহীন  অসীম  নীলাকাশে স্বপ্নের  জাল  বুনতে  বুনতে  হারিয়ে  যাই

বাতাসের  মর্মর  ধ্বনিতে ছন্দ  খুঁজে  পাই ….

এখনো  তো  আমার  হৃদয়  কার্পণ্য  করেনা

ভালোবাসা  দিতে  আর  নিতে

অমল ও দইওয়ালাতো  এখনো  কল্পনাতে  ঝাপসা  হয়নি

এখনো  তো  ভালো  লাগে  সেই  লুকো চুরি  আর  জমাটি  আড্ডা

তবে  কেন  এই  দিশা হীন  থামা ?

………………………………………………………………………………………………………………

আজকাল  মনটাবড়  ভারাক্রান্ত  ভেবে …..

তৈরী  থেকো  এবার  আসছি  তোমায়  নিতে

জীবনটা  বড়  বেপরোয়া লাগামছাড়া  মন

আজ  শুধুই  ভাবে  কি  পেয়েছি  আর  কি  পাইনি

এখন  ভাবে  অনেক  কিছুই  পাওয়ার  ছিলকরিনি  কেন  দাবি ?

ভাগ্য  করে  পরিহাস  …

পাওয়ার  হলে  এমনি  পেতে  করতে  হয়না  দাবী

তৈরি  থেকো  এবার  আমি  এসে  যাবো

বুকে  অনেক বল এনে  বলি

তা এসোনা  ভয়  পাই  নাকি ……চলে  এস  তুমি

জীবন  খাতার  পাতা  উল্টিয়ে  দেখি

দিয়েছি  আমি  অনেক

পাওয়ার  দিকের  পাল্লাটাও  বেশ  ভারী

ভালোবাসায়  ভরে  আছে  হৃদয়

এখন  হয়তো  দেওয়ানেওয়ার হিসেবে  শেষ

লাল  নীল  কালো  লেখার  হরফগুলো  বড়ই  ঝাপসা  লাগছে

মন টা আজ  ভারাক্রান্ত নেই

চললাম  আমি  নতুন  ভোরের  সন্ধানে

নতুন  জীবনের  পথে .. সাজাতে  আবার তরী

হয়তো  আমার  আর  নিঃশ্বাসনেওয়া  হয়নি

হয়তো  সেটাই  ছিল  তোমার  সাথে  শেষ  কথা

আরতি হোতা

Bio: After completing my graduation in bio science, I have done Master in Social Work and M.Sc Applied Psychology. Approx 18yrs I am associated with oncology in different role at different parts of India and working with palliative care since five yrs. I am very much passionate to work with psycho-social relationship of cancer tragedy and like to find facts /causal relationship through research. Presently I am working at cancer specialty hospital in North India (Bhagwan Mahaveer Cancer Hospital & Research Centre, Jaipur, Rajasthan) as a Psycho-oncologist. I am very much fond of reading novel, writing messy poems and travelling.

সেই রাতে কি পূর্ণিমা ছিল!

ঠিক মনে নেই আমার

এসব খেয়াল করবার অবস্থা ছিল না

কিভাবে যেন খবর এলো- তুমি চলে যাচ্ছো,

আমার মা পাগলের মতো ছুটলো, সাথে আমি

গন্তব্য তুমি, আমার মায়ের ‘মা’-

 

মনে পড়ছিল, আমাদের সেই ছোটবেলার খেলা

আমি শিমের পাতায় ছোট্ট নুড়ি বা ইটের টুকরো মুড়ে

তোমার হাতে দিয়ে বলতাম, “নানী, এই যে তোমার পান”

সেই মিছেমিছি পান হাতে নিয়ে

তোমার মুখে স্বর্গ হেসে উঠতো প্রতিবার।

 

অনেকদিন পর এলাম সেই গ্রামে, সেই বাড়িতে

যেখানে আমার ঘটেছিল আবির্ভাব, এক সুদূর বসন্তকালে

তোমার রূপকথার মতো হাতে তুলে নিয়েছিলে আমায়

আমি পৃথিবীকে জানিয়েছিলাম যে এসেছি-

তোমার মায়ায়, তোমারই ছায়ায় সেই আমার শুরু

আমি-আমরা বেড়াতে এলে তুমি খুব খুশি হতে,

আজ আবার আমরা এসেছি, আরো অনেকে এসেছে

কিন্তু আজ তুমি ঘুমিয়ে আছো, স্থির-অচঞ্চল

আজ রাতে তুমি শেষ ঘুমে শুয়ে

আর সবাই জেগে আছে, শোকে-

আর সৎকারের আয়োজন আর প্রার্থনায়।

আমার কি অনুভুতি হয়েছিল মনে নেই

মনে নেই পূর্ণিমা ছিলো কি-না!

 

সকাল হলে পর তোমায় কাঁধে তুলে নিয়ে

ওদের পা-গুলো বেদনায় হেঁটে যায় গোরস্থানের দিকে

আমার মনে আছে, আমি তখনো থমকে ছিলাম

তাকিয়ে ছিলাম তোমার লাগান শিমের মাচায়

শীতের মৃদু বাতাসে শিমের পাতাগুলো দুলে দুলে

আমায় যেনো ডাকছে, বলছে-

তোমার শেষযাত্রায় একটা শিমপাতার পান সাজিয়ে দিতে

তাহলে হয়তো তুমি সেই মায়াময় হাসিতে বলে যাবে, বিদায়

আমার দুই চোখে নীরব জলোচ্ছ্বাস জাগে

তোমার সেই হাসিমুখ ঝাপসা হতে থাকে,

 

সময় খুব দ্রুত যায়, বছর পার হয়ে যায়

মা’র মন মানে না, তাকে নিয়ে যাই তোমার বাড়িতে

তুমি নেই, তবু তোমার এটা-ওটা

আমার মা’কে কখনো হঠাৎ খুকি বলে ভ্রম হয়

কিন্তু কোনোভাবে ছুঁতে পারি না তোমাদের মাত্রা

একটা শান্তি-শান্তি দোলা লাগে শুধু, মাচার ঐ শিমপাতার মতো

 

আজো, কখনো কোনো পূর্ণিমায় হঠাৎ প্রশ্ন জাগে

সেই রাতেও কি পূর্ণিমা ছিল?

আমি অবশ্য কাউকে জিজ্ঞেস করিনা এই কথা

এই সংশয়-প্রশ্ন শুধু তোমার আর আমার, আর শিমের মাচা

আর মৃদু বাতাসে শিমপাতা আর বেগুনী শিমফুলের দোলা

এই সব শুধু তোমার-আমার খেলা, আমাদের গোপন পৃথিবী

আত্মার এক ভিন্ন মাত্রায়-

Bio: Working as an Independent film-maker since 2001 for full-length feature films, short films, documentary films and TV fiction and nonfiction projects, corporate/promotional communication films etc. sometimes as scriptwriter-director-producer or a team member. Since 2012 started own little-venture, SHOPNOMOY, to cater substantial impact through developing creative ideas and producing commendable contents.
With an MSS in Sociology from the University of Chittagong, I have interest in social research, designing communication and also enjoy occasionally writing poetry, stage-play; besides acting for consciousness initiative for social cause like palliative-care, honking-noise etc.

প্রিয় মমতা, তুমি এখানে এসো

সাথে নিয়ে এসো একটু হাসি

হাতে কিছুটা সময় নিয়ে এসো,

প্রিয় মমতা, তুমি এখানে এসো।

 

এখানে সময় থেমে গেছে

আমাদের সময় থেমে গেছে

যা কিছু বলার, যা কিছু দেবার

বলা হয়ে গেছে, সব আয়োজন ফুরিয়েছে।

শুধু মমতা, ও মমতা-

এখানে তোমাকে চাই

তোমাকেই খুঁজি সকলের চোখের তারায়

প্রিয় মমতা, তুমি এখানে এসো।

 

এখনো পথের ঐ বাঁকে-

পাখি গায়,

বৃষ্টি ঝরে ফোঁটায় ফোঁটায়

ফুলগুলো দুলে দুলে হাসে

প্রিয় মানুষেরা এখনো ভালবাসে,

আর এদিকে-

সময় থমকে থাকে, শুধু প্রতীক্ষায়

ও মমতা, তুমি আসবে এই আশায়-

  আমি জীবনের গান গাইব আবার

  সময়ের সীমানা পার হয়ে এই আঙিনায়

 

প্রিয় মমতা, তুমি এখানে এসো।

Bio: Working as an Independent film-maker since 2001 for full-length feature films, short films, documentary films and TV fiction and nonfiction projects, corporate/promotional communication films etc. sometimes as scriptwriter-director-producer or a team member. Since 2012 started own little-venture, SHOPNOMOY, to cater substantial impact through developing creative ideas and producing commendable contents.
With an MSS in Sociology from the University of Chittagong, I have interest in social research, designing communication and also enjoy occasionally writing poetry, stage-play; besides acting for consciousness initiative for social cause like palliative-care, honking-noise etc.

প্রতীক্ষার রঙ কেমন হয়-

আজকাল প্রতীক্ষার এই প্রান্তরে আর যন্ত্রনার অবসরে

এমন ভাবনা মাঝে মাঝেই দোলা দিয়ে যায়,

কতো রঙের প্রতীক্ষা থাকে এক জীবনে!

হয়তো এক কাপ চা কিংবা কফির জন্য

কিংবা বাস-ট্রেন-প্লেন কিংবা কাংখিত গন্তব্য

হয়তো নিজের লাগানো বেগুন গাছের ফুলটা ফুটবে

প্রিয় মানুষটার দেখা পাওয়া, তার স্পর্শ আর চুমুর প্রতীক্ষা

আবার- নতুন জামার, উৎসবের, কিংবা সন্তানের

এমনই কতো কতো প্রতীক্ষা-

আমাদের আকাংখার রঙে রঞ্জিত হয়,

কাংখিত মুহূর্তের জন্য মানুষ সেই সব রঙে

নিজেকে-নিজেদেরকে প্রস্তুত করে।

আবার, কখনো এক অনাকাংখিত প্রান্তরে

হঠাৎ থমকে যায় মানুষের জীবন

অনারোগ্য কোনও অসুস্থতায় ঝাপসা হয়ে যায়

হারিয়ে যায় আমাদের প্রতীক্ষার রঙ-

কেন? শুধু আমরা চাই না বলে!

অথচ মৃত্যুর চেয়ে ধ্রুব কোনও সত্য

জীবন আমাদেরকে কখনো শেখায়নি তো-

আর তাই প্রতীক্ষার সেই প্রান্তর আমাদের অচেনা

সেই প্রতীক্ষার রঙ দেখা হয়নি, শেখা হয়নি

কেবলই অবহেলায়!

আজকাল ভীষণ যন্ত্রণা যখন জীবনটাকে

বয়ে নিয়ে যাচ্ছে অমোঘ মৃত্যুর দিকে

আমার শুধু প্রতীক্ষার রঙটা দেখতে ইচ্ছে করে-

কখনো হতাশায়, কখনো ক্ষোভে, কখনো রাগে

চেতনার চোখ বন্ধ হয়ে যায়, রঙ দেখতে পাই না

শুধু এক ভীষণ আকুতির অস্পষ্ট রঙ’এর আভাস

আর কেবল মাঝে মাঝে তোমার মমতায়-

সেই বেগুন ফুলের রঙ

সেই উৎসবের রঙ

সেই প্রিয় চুমুর রঙ

রাঙিয়ে দেয় প্রতীক্ষার এই বদ্ধ-প্রান্তর,

মৃত্যু কিংবা অনন্তের রঙ দেখবার প্রস্তুতি আমার

একটু একটু করে সহজ হয়,

শুধু তোমার মমতায়-

শুধু তোমাদের মমতায়-

বুঝতে পারি, প্রতীক্ষার রঙ কখনো এমনও হয়!

Bio: Working as an Independent film-maker since 2001 for full-length feature films, short films, documentary films and TV fiction and nonfiction projects, corporate/promotional communication films etc. sometimes as scriptwriter-director-producer or a team member. Since 2012 started own little-venture, SHOPNOMOY, to cater substantial impact through developing creative ideas and producing commendable contents.
With an MSS in Sociology from the University of Chittagong, I have interest in social research, designing communication and also enjoy occasionally writing poetry, stage-play; besides acting for consciousness initiative for social cause like palliative-care, honking-noise etc.

মোৰ ওচৰলৈ ঈশ্বৰ প্ৰায়ে আহে

আৰু প্ৰয়োজনটো পূৰ্ণ কৰি গুচি যায়

 

যদিও তেওঁ মোৰ ওচৰলৈ প্ৰায়ে আহে

তথাপি তেওঁ একেটা বেশত কেতিয়াও নাহে

 

যেতিয়া মোৰ ভোক লাগে

তেতিয়া তেওঁ মোৰ আইৰ ৰূপত মোলৈ ভাত লৈ আহে

 

যেতিয়া মোৰ বেমাৰ হয়

তেতিয়া তেওঁ চিকিৎসক হৈ মোৰ ওচৰলৈ আহে

 

যেতিয়া মোৰ আৰ্থিক সংকট হয়

তেতিয়া তেওঁ বন্ধুৰ বেশত মোৰ ওচৰলৈ আহে

 

যেতিয়া মোৰ বংশ ৰক্ষাৰ কথা আহে

তেতিয়া তেওঁ মোৰ ওচৰলৈ পত্নী ৰূপত আহে

 

যেতিয়া মোৰ খেতি-পথাৰ খৰাং হৈ পৰে

তেতিয়া তেওঁ বৰষুণ হৈ আহি উদ্ধাৰ কৰে

 

যেতিয়া মোৰ খেতিৰ মাটিত উৰ্বৰা শক্তি কমি আহে

তেতিয়া তেওঁ কেঁচু হৈ মাটিত উৰ্বৰা শক্তি বঢ়ায়

 

যেতিয়া পহুধনৰ অভাৱত খেতি নকৰাকৈ থাকোঁ

তেওঁ গৰুৰ ৰূপত আহি মোক সহায় কৰেহি

 

যেতিয়া মই সমাজহিতৈষী কাম কৰোঁ

তেওঁ তেতিয়া প্ৰশংসক হৈ মোক উৎসাহ-প্ৰেৰণা দিয়ে

 

যেতিয়া মই অপৰাধমূলক কাম কৰোঁ

তেতিয়া তেওঁ বিচাৰকৰ ৰূপত শাস্তি দিয়ে

 

যেতিয়া মই বৃদ্ধ হৈ মৃতপ্ৰায় হওঁ

তেতিয়া  তেওঁ মৃত্যুৰ ৰূপত আহি মোক উদ্ধাৰ কৰে

 

প্ৰকৃততে ঈশ্বৰ মোৰ চৌপাশে ঘূৰিয়ে থাকে

মইহে ঈশ্বৰক নেদেখো নিচিনো আৰু নুবুজো

Bio: Guna Moran is an upcoming poet and critic. His poems and literary pieces are published in most major vernacular journals and newspapers of the State. His literary honours include
(i) Kabita Dinar Sanman 2017
(ii) Bandhu Saki Bota 2019
(iii) Literary Lieutenant award 2019 by Story Mirror.
(iv) India Star Passion Award 2019.

গুণ মৰাণ

বিপদবোৰে কেৱল বিপদহে নকৰে

জীৱনক দি যায় ভালকৈ এশিকনি

 

মহা বিপদ এই ভাইৰাচে

তেন্তে সঁচাকৈ দিলেনে জীৱশ্ৰেষ্ঠক এশিকনি?

 

লক ডাউনৰ এই তিতা লগা দীঘলীয়া কালত

ঘৰতে সোমাই আমি যি মৌন প্ৰাৰ্থনা কৰিছো

সেই প্ৰাৰ্থনাত আছে জগতৰ উপকাৰৰ দৃঢ় পণ

ঘৰতে সোমাই সোমাই পূৱা-গধূলি বেলিৰ লগতে 

যি কথা পাতিলোঁ

সেই কথোপকথনে শিকালেনে আমাক

যে আনৰ হকে নিজে জ্বলি জ্বলি পোহৰ দিয়া 

বেলিটো আমি হব নোৱাৰোঁ

অথচ বেলিৰ পৰা শিক্ষা লৈ আমিও আনৰ 

সহায়ক হব পাৰোঁ

 

লক ডাউনৰ এই অসহ্য দীৰ্ঘ সময়ত

মানুহৰ বাদে প্ৰকৃতিৰ সকলো জীৱ আৰু উদ্ভিদে 

আপোনমনে বৰ্তি আছে

মহামাৰি কৰনাই সিহঁতৰ নোম এডালো লৰাব 

পৰা নাই

অথচ পৃথিৱীৰ সৰ্বশ্ৰেষ্ঠ জীৱ নামেৰে পৰিচিত 

মানুহে পৰস্পৰে পৰস্পৰৰ পৰা আঁতৰি আছে

জীৱন মৰণৰ কালত অন্তৰংগ মুহূৰ্ত এটাও পাৰ 

কৰিবলৈ ভয় কৰিছে

 

উপকাৰীয়ে মৃত্যুলৈ কেতিয়াও ভয় নকৰে

সকলোতে সহজে বিচৰণ কৰিব পাৰে

কাৰণ উপকাৰীক সকলোৱে শ্ৰদ্ধা কৰে

মৃত্যুৰ পাছত শ্ৰদ্ধাশীলক কালে অমৰহে কৰে

 

লক ডাউনৰ এই মহা সংকটৰ সময়ত আমি 

দৰ্জা- খিৰিকি বন্ধ কৰি গৃহ- বন্দী হৈ আছো

অথচ প্ৰকৃতিৰ আন আন প্ৰাণীকুলে প্ৰতিক্ষণে কৰ্ম 

ময় হৈ আছে

 

এই সমস্ত প্ৰাণীকুলে অন্তহীন কৰ্ম ব্যস্ততাৰে আমালৈ 

এখন সতেজ আৰু সেউজ পৃথিৱীৰ নিমাৰ্ণ কৰি 

আছে

লক ডাউনৰ শেষত প্ৰকৃতিৰ এই অনন্য সেউজ 

উপহাৰটি উপভোগ কৰিবলৈ আমি

সঁচাকৈ অহিংস আৰু ন্যায়পৰায়ণৰ নীতিশিক্ষা 

লোঁলে এই মহাবিপদৰ পৰা?

 

বিপদ এবাৰেই নাহে

পুনৰ বিপদত নপৰিবলৈ ইয়াতকৈ ভয়ংকৰ দিন 

নহাকৈ নাথাকে

যদিহে লোৱা নহল বিপদৰ কালত সময়ৰ পাঠ

Bio: Guna Moran is an upcoming poet and critic. His poems and literary pieces are published in most major vernacular journals and newspapers of the State. His literary honours include
(i) Kabita Dinar Sanman 2017
(ii) Bandhu Saki Bota 2019
(iii) Literary Lieutenant award 2019 by Story Mirror.
(iv) India Star Passion Award 2019.

একদিন বৃষ্টির সোঁদা গন্ধে গঙ্গার ওই প্রান্তে

ধরা পরে যাবো হঠাৎ দেখো দুজনা — একদিন …

থাকবেনা তোমার অফিসের তাড়া

না আমার কোনো চাকরী খোঁজার পালা

তোমার চোখে বিন্দুর ন্যায় সূর্য কিরণ খণ্ডিত

আমার পরনে শাড়ি, তখন বেশ অভ্যস্ত

হয়ত সেদিন দুজনের এত বছরের নিস্তব্ধতা চাইবে বিশ্রাম!

তোমার আমার বাণী পাবে ভাষা —

সময়ের স্রোত একদিন আনবে এই বাণ ভেঙে সব দ্বার

চূর্ণ হবে আমার অহঙ্কার চেয়ে তোমার পানে একটিবার…

হয়ত স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে,

সত্যি হবেনা তার কোনো ছবি, কিন্তু আশা করতে কি ক্ষতি?

স্বপনের  রাজ্যে তুমি আমার রাজপুত্র —

এই স্বপ্নটা স্নিগ্ধ করে জীবনের সূর্যতাপ মাখা

ধূলোয় ঢাকা, অস্থির, চাকরি খোঁজার দিনগুলো

আর বুকের কোনে ছোট্ট কুটিরে একটা আশা —

একদিন! সেই একদিন আসবে…

Bio: Dr. Bijoyini Mukherjee dedicates all her creative ventures to Shakti and her mother through her pen-name Bijoyini Maya. Her professional expertise includes public relations, teaching, editing, administrative exposure, research, and content creation. She has published research articles, poems, and short stories in various online platforms. Chennai is her soul land though she was born in West Bengal. Due to lack of funds for artists, her mother is her patron and Shakti has given her the strength to continue writing. Even if one person has healed emotionally after reading her, she believes her life is not in vain.

বুক জুড়ে ছিলে তুমি,

                    আদুরে ‘ছোট্ট মা’|

                 নিষ্ঠুর হাত ছিনিয়ে নিলো,

                একটুও সময় দিলো না|

                চতুর্দিকে তোমায় খুঁজি,

               মনে হয় তুমি সামনে বুঝি?

               হায়! অভাগিনী মা’যে শুধুই..

              খুঁজে বেড়ায় সোনা মুখটি|

             কোন বিধাতা ছিনিয়ে নিয়েছে,

               আমার ক্ষুদ্র সুখটি|

          সে বড়োই কৃপণ নিতে জানে কেবল,

             দিতে জানে না কিছুই|

           চিরতরে গেছো তুমি হারায়ে..

        বক্ষ মাঝে কোন দিনও দেবেনা ফিরায়ে|

           জানি ‘মা’ ‘মা’ করে কেঁদে বেড়ায়,

                  এই ছোট্ট মেয়েটি|

              সে কি জানে পাবে না আর?

           এই প্রিয় মায়ের কোলটি|

          মা- মেয়েতে মিলে দেখতাম আমরা,

                মিষ্টি মধুর স্বপ্ন|

          হায়! অকালে চলে গেলে তুমি,

            স্মৃতি নিয়ে আছি মগ্ন|

         বয়স তখন মাত্র নয় বছর পাঁচ মাস,

        এই অল্প সময় দেখায় তোমার জীবন নাশ|

         কামনা আমার একমাত্র ওগো অন্তর্যামী,

          আর কখনো ‘ওর’ আত্মা নিয়ে খেলোনা                      ছিনিমিনি|

              জুঁইফুল সম এতটুকু হৃদয়,

                 আশা করি..

              কোথাও নিয়েছে সে আশ্রয়|

             কোটি কোটি চুম্বন নিও রাইমা,

             অতৃপ্ত বাসনা নিয়ে অপেক্ষায়,

               দুঃখিনী মা|

                            ©ইরা চক্রবর্তী 

Bio: I am a simple bengali house wife.. I Iike to music & I am a music teacher & Centre holder of the eminent institutions, which is located at Kolkata.Poem writing is my one of the passionate hobbies. I was written ‘ তৃষ্ণার্ত জননী’, which is sent to yours benevolence, from that was original content of my life especially my daughter’s death on 14 years after.. Very sad episode that was.

মাঝি কৃপা করো মোরে

ডেকোনা এখনি তোমার  দ্বারে

শ্রাবণের বেলাশেষে ভাসিয়েছো তরী,

তিনকুড়ি বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ রয়েছে পড়ি

মায়ের আঁচলে পেতে মাথা

শুনব বহু অজানা কথা;

শিশিরের বর্ষণ, ভ্রমরের গুঞ্জন,পাখির কুজন

আরো কত শত কথা

বসে কাঁদছে শকুন্তলা নদীর ধারে

আংটি হারিয়েছে ওঁর খুঁজতে না পারে

মাঝি কৃপা করো মোরে

আমি আসব তোমার দ্বারে,

স্বর্ণ ললাটে ঢুকব পাম সারি ঘেরা কুটিরে

মাঝিরে সখীর  আংটি পাওয়ার পরে

Bio: কবি পরিচিতি : প্রসেনজিৎ কুমার সাহা একজন নবীন কবি। তার পিতা শ্রী স্বপন কুমার সাহা ও মাতা শ্রীমতী অঞ্জলি সাহা। কবির দুটি বাংলা কবিতা ইতিমধ্যেই “ সংশপ্তক” নামে একটি বাংলা সংকলনে প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি কবির রচিত ইংরেজি কবিতা -ও “ Aulos: An Anthology of English Poetry” সংকলনে স্থান পেয়েছে। তিনি বর্তমানে সাহিত্য চর্চা ও সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করেছেন। ই মেইল- prasanjitkumarsaha@gmail.com

শুক্ষ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বালির ন্যায় স্বপ্ন গুলো সেদিন দানা বেঁধে ছিল,

তব রক্ত করবী আবৃতা লাল ঠোঁটে চুমু দেবার প্রতীক্ষায়

নির্জন সকণ্টক ক্যাকটাসের পাশে,

তুমি একাকী বসে ছিলে

দমকানো মোচড়ানো বালি ঝড়ের মাঝে

তুমি, তোমার কোমল তনু

দুর্বৃত্ত ক্যাকটাসের খোঁচায় ছিন্ন বিচ্ছিন্ন

সাদা কাপড় জীর্ন বিবর্ণ বালি বিন্দুতে ভরা

তেত্রিশ মিটার শুষ্ক,অনুর্বর জায়গা

সেদিন, তোমার রক্তিম আভায় রঙিন হয়েছিল

সদ্য প্রস্ফূটিত তারুণ্যে ভরা যৌবন নিয়ে

উটের পিঠে চেপে, যখন তোমার প্রেমিক পৌঁছল,

নড়বড়ে তোমার অবস্থা-

সারা গায়ে কাঁচা রক্তের গন্ধ,

এলোমেলো চুল,ফেটে যাওয়া স্তন এবং নিপীড়িত

তনুতে তুমি বিরহ ব্যাথায় আপ্লুত

বিপ্লবী তরুণ সেদিন থেমে থাকেনি-গো,

সিংহের ন্যায় সে ছুটেছিল দেশ থেকে দেশান্তরে

রক্তকরবী আবৃতা ঠোঁটের বিষজ্বালা ও

নির্যাতিতা ব্যাথা সে আগুনের ন্যায় ছড়িয়ে দিয়েছিল

ধূ ধূ বালিরাশিকে ক্যাকটাস মুক্ত করতে

Bio: কবি পরিচিতি : প্রসেনজিৎ কুমার সাহা একজন নবীন কবি। তার পিতা শ্রী স্বপন কুমার সাহা ও মাতা শ্রীমতী অঞ্জলি সাহা। কবির দুটি বাংলা কবিতা ইতিমধ্যেই “ সংশপ্তক” নামে একটি বাংলা সংকলনে প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি কবির রচিত ইংরেজি কবিতা -ও “ Aulos: An Anthology of English Poetry” সংকলনে স্থান পেয়েছে। তিনি বর্তমানে সাহিত্য চর্চা ও সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করেছেন। ই মেইল- prasanjitkumarsaha@gmail.com

মাগো নিয়ে যাও মোরে ঘুমের দেশে

যেথায় পরীরা বেড়ায় ভেসে ভেসে,

যেথায় আঙুর ভরা খেতের মাঝে

মোর প্রিয়ে বসে আছে

সোনালী রোদ্দুরে মুখটি তার ফুরফুরে,

আঁখিতে শত বিরহ নিয়ে

বসছে প্রিয়ে মনটি দিয়ে,

যাও না মাগো একবার নিয়ে,

যেথায় সর্ব সুখ ঝরে ঝর্ণা হয়ে

Bio: কবি পরিচিতি : প্রসেনজিৎ কুমার সাহা একজন নবীন কবি। তার পিতা শ্রী স্বপন কুমার সাহা ও মাতা শ্রীমতী অঞ্জলি সাহা। কবির দুটি বাংলা কবিতা ইতিমধ্যেই “ সংশপ্তক” নামে একটি বাংলা সংকলনে প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি কবির রচিত ইংরেজি কবিতা -ও “ Aulos: An Anthology of English Poetry” সংকলনে স্থান পেয়েছে। তিনি বর্তমানে সাহিত্য চর্চা ও সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করেছেন। ই মেইল- prasanjitkumarsaha@gmail.com

সিরিজঃ দহন

 

বড় লোভ হয় জানোতো? দরজার চৌকাঠের পিছনে-

লুকিয়ে থাকা তৃষ্ণার্ত কুনো ব্যাঙের মতো,

বাড়ির ঘুলঘুলিতে বাঁচা ত্রস্ত চড়ুইয়ের মতো,

ঘাসের তলায় কাদার গভীরে ঘাপটি মেরে থাকা-

অন্ধ কেঁচোর মতো, অথবা তোমাদের

চারপুরুষের বুড়ো বাড়ির ছাদের কার্নিশে,

ভিজে জুবুথুবু বিহ্বল দাঁড় কাকের মতো,

খটখটে শুকনো নদীর বুকে নি:সঙ্গ নৌকার মতো;

এই ভরা বর্ষার রাতেও, আমি  আশ্বিনের শিশির খুঁজে ফিরি!

 

আমার নদীতে বানোৎসব; বানের তোড়ে ভাসে

বহু বছরের চর্চিত পাঁচালির অংশ বিশেষ,

নামাজির টুপি, বেনারসি, ভাঙ্গাচাল আর মরা গরু।

পঁচা তোশক, নকশিকাঁথা, উপড়ানো সজনে গাছ,

গাছের গায়ে আটকে যাওয়া তালপাতার পাখায়

সিঁদুরে মেঘের ছায়া খেলে যায়।

ছায়ার কোলে, ভরা নদীর বুক চিরে এগিয়ে চলে,

একটি ধূপ-ধুনো সজ্জিত কলার ভেলা;

তারই মধ্যে ঘুমিয়ে আছে এক ছোট্ট নিথর দেহ!

গোধূলির বিষণ্ণ আলোয় একে একে ভেসে চলে,

আমাদের পার্থিব যতো লোকসান।

 

পুব আকাশের সন্ধ্যা তারা, তোমাদের

চারপুরুষের বুড়ো বাড়ির মস্ত আকাশে-

একটি একটি করে জ্বালে হাজার আলোর প্রদীপ।

জমকালো আলোর রোশনাইয়ে লুকোচুরি খেলে-

অজস্র বানভাসির অর্ধ নিমজ্জিত আকাশে,

কোনক্রমে ঝুলে থাকা এক ফালি চাঁদ।

এতোটুকু আলোতেও এপাড়ে বসে,

আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, ওদের গাল বেয়ে গড়ানো-

চিকচিক করতে থাকা মায়াবী রুপালী জল।

 

বড় লোভ হয়- জানোতো? দরজার চৌকাঠের পিছনে-

তৃষ্ণার্ত কুনো ব্যাঙের মতো,

বাড়ির ঘুলঘুলিতে বাঁচা ত্রস্ত চড়ুইয়ের মতো,

ঘাসের তলায় কাদার গভীরে ঘাপটি মেরে থাকা-

অন্ধ কেঁচোর মতো, অথবা তোমাদের

চারপুরুষের বুড়ো বাড়ির ছাদের কার্নিশে,

ভিজে জুবুথুবু বিহ্বল দাঁড় কাকের মতো,

খটখটে শুকনো নদীর বুকে নি:সঙ্গ নৌকার মতো;

এই ভরা বর্ষার রাতেও আমি আশ্বিনের শিশির খুঁজে ফিরি!

Bio: I live in Mymensingh, Bangladesh. I’m a high school teacher. Poetry is my hobby. I like to search the taste of life in the mother nature. I think poetry is a unique medium to understand the deepest philosophy of life.

সিরিজঃ দহন

 

শালবনের বাতাস হীম শীতল,

মাথার উপরে চাঁদ, চাঁদের গায়ে চাদর,

চাদরে ঢাকা মুখে নীলচে ছায়া।

চোখের কোণ দিয়ে, ঠোঁটের পাশ ঘেঁষে-

গড়িয়ে পড়ছে গোধূলির লালিমা।

আমার কাছে কিসের এতো লজ্জা তোমার?

ঐ দ্যাখো, শালবনের আকাশ ভরা আলোক বিন্দু,

সিন্ধু নদের টলমলে জলের উপরে লিখে চলে-

তোমার, আমার আর আমাদের অপার্থিব এই ইহকালের গল্প।

 

রাত বাড়ছে, বাড়ছে শীত, কাছেই কোথাও-

একটি তৃষ্ণার্ত ডাহুক অক্লান্ত ডেকে চলেছে,

যেন একটা ‘গ্র‍্যাণ্ড ফাদার’ ঘড়ি

ঘন্টা বাজিয়ে চলেছে নির্দিষ্ট বিরতিতে।

শত সহস্র দিনের তিয়াসে চৌচির বুড়ো পাকুড়ের শরীর।

চামড়ায় পড়েছে ভাঁজ; পরতে পরতে বাজে হারানো দিনের সুর।

শালবনের আকাশে বাতাসে তপ্ত দিনের আনাগোনা, তবু-

বাড়ছে বাতাস, হীমহীম, শীতল; ভাঙা জানালায় আটকে থাকে-

আমাদের যতোসব না বলা উপাখ্যান!

কাছে এসো, এসো একই চাদরের তলায়, তারপর-

আলিঙ্গন করে মুখবন্দি করো আমার বুকে, ধরে থাকো অনন্তকাল!

শালবনে আগুন, আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেবো যতো অব্যক্ত দুঃখ, বেদনা।

থামবে ঝড়, কাটবে ঘোর আর ঘোরলাগা অমাবস্যার রাত, তারপর;

তারপর পরমাত্মিক উষ্ণতায় বন্দি হয়ে আমরা দুজনে মিলে,

কোন এক ‘দেবী নবনীতা’র গল্প লিখবো।

Bio: I live in Mymensingh, Bangladesh. I’m a high school teacher. Poetry is my hobby. I like to search the taste of life in the mother nature. I think poetry is a unique medium to understand the deepest philosophy of life.

 

সিরিজঃ ফিরে আসা হলোনা

 

খোলা চোখ,

আসলে আধখোলা।

ফিরবোনা,

এই শেষ পথ চলা।

ব্যাথা নেই,

আর কোন জ্বালা নেই।

আমি নেই,

সকাল তবু আসবেই।

 

রোদে পোড়া,

চোখে মুখে ক্ষত ভরা।

কি দেখেছে,

জানা নেই,

শুধু জানে ওরা।

ব্যাথা নেই,

নেই আর কোন জ্বালা!

পড়ে আছি,

খোলা চোখ আধখোলা।

 

আর গাইবোনা,

গীটার কাঁধে হাঁটবোনা।

রাত জেগে,

কেউ বসে থাকবেনা।

গোধূলির রং,

শুষে নেবে রাত,

চারদিক হয়ে যাবে শুনশান।

তবু স্বপ্নের রং,

ছড়িয়ে দিয়ে,

জেগে উঠবেই ভোরের কলতান।

 

এ শরীর,

ক্যানভাস সাদামাটা,

আঁকা হলোনা স্বপ্নের খেলাঘর!

লাশকাটা ঘরের,

ভাঙ্গাচোরা দেয়ালে,

আমি খুঁজে নেবোই ভোরের পাখিটা…

আমি খুঁজে নেবোই…  ভোরের পাখিটা।

Bio: I live in Mymensingh, Bangladesh. I’m a high school teacher. Poetry is my hobby. I like to search the taste of life in the mother nature. I think poetry is a unique medium to understand the deepest philosophy of life.

প্রতীক্ষার রঙ কেমন হয়-

আজকাল প্রতীক্ষার এই প্রান্তরে আর যন্ত্রনার অবসরে

এমন ভাবনা মাঝে মাঝেই দোলা দিয়ে যায়,

 

কতো রঙের প্রতীক্ষা থাকে এক জীবনে!

হয়তো এক কাপ চা কিংবা কফির জন্য

কিংবা বাস-ট্রেন-প্লেন কিংবা কাংখিত গন্তব্য

হয়তো নিজের লাগানো বেগুন গাছের ফুলটা ফুটবে

প্রিয় মানুষটার দেখা পাওয়া, তার স্পর্শ আর চুমুর প্রতীক্ষা

আবার- নতুন জামার, উৎসবের, কিংবা সন্তানের

এমনই কতো কতো প্রতীক্ষা-

আমাদের আকাংখার রঙে রঞ্জিত হয়,

কাংখিত মুহূর্তের জন্য মানুষ সেই সব রঙে

নিজেকে-নিজেদেরকে প্রস্তুত করে।

 

আবার, কখনো এক অনাকাংখিত প্রান্তরে

হঠাৎ থমকে যায় মানুষের জীবন

অনারোগ্য কোনও অসুস্থতায় ঝাপসা হয়ে যায়

হারিয়ে যায় আমাদের প্রতীক্ষার রঙ-

 

কেন? শুধু আমরা চাই না বলে!

অথচ মৃত্যুর চেয়ে ধ্রুব কোনও সত্য

জীবন আমাদেরকে কখনো শেখায়নি তো-

আর তাই প্রতীক্ষার সেই প্রান্তর আমাদের অচেনা

সেই প্রতীক্ষার রঙ দেখা হয়নি, শেখা হয়নি

কেবলই অবহেলায়!

 

আজকাল ভীষণ যন্ত্রণা যখন জীবনটাকে

বয়ে নিয়ে যাচ্ছে অমোঘ মৃত্যুর দিকে

আমার শুধু প্রতীক্ষার রঙটা দেখতে ইচ্ছে করে-

কখনো হতাশায়, কখনো ক্ষোভে, কখনো রাগে

চেতনার চোখ বন্ধ হয়ে যায়, রঙ দেখতে পাই না

শুধু এক ভীষণ আকুতির অস্পষ্ট রঙ’এর আভাস

আর কেবল মাঝে মাঝে তোমার মমতায়-

সেই বেগুন ফুলের রঙ

সেই উৎসবের রঙ

সেই প্রিয় চুমুর রঙ

রাঙিয়ে দেয় প্রতীক্ষার এই বদ্ধ-প্রান্তর,

মৃত্যু কিংবা অনন্তের রঙ দেখবার প্রস্তুতি আমার

একটু একটু করে সহজ হয়,

শুধু তোমার মমতায়-

শুধু তোমাদের মমতায়-

বুঝতে পারি, প্রতীক্ষার রঙ কখনো এমনও হয়!

Bio: Working as an Independent film-maker since 2001 for full-length feature films, short films, documentary films and TV fiction and nonfiction projects, corporate/promotional communication films etc. sometimes as scriptwriter-director-producer or a team member. Since 2012 started own little-venture, SHOPNOMOY, to cater substantial impact through developing creative ideas and producing commendable contents.
With an MSS in Sociology from the University of Chittagong, I have interest in social research, designing communication and also enjoy occasionally writing poetry, stage-play; besides acting for consciousness initiative for social cause like palliative-care, honking-noise etc.

सत्य यदि बोलना है तो 

झूठ-पसंद लोगों से पिटना भी तय है

थाने में बुलाया जाना भी तय है 

और पूछताछ के नाम पर 

थानेदार की गालियाँ खाना भी तय है 

ईमानदार यदि बने रहना है तो फिर

भूख और गरीबी में जीना भी 

पक्का तय है बन्धु रे!

मनुष्य यदि बने रहना है तो

दुख पाना भी तय है 

और मनुष्यता के शत्रुओं द्वारा

सताया जाना भी तय है 

न्याय और अधिकार के लिये 

अनवरत लड़ना भी तय है

और यदि तुमने तय किया है सुख 

सुविधा और अधिकाधिक पूँजी बनाना ही

तो वाक़ई तय है तुम्हारा 

सत्य न्याय और ईमान से दूर होना

Bio: मूलत: हिन्दी कवि,अब तक सात कविता संग्रह (हिन्दी) प्रकाशित |गद्य लेखन में भी रुचि है |

मरना तो निश्चित ही है किन्तु 

मरने की चिन्ता में जीने से भागना

उबलते तैल के कड़ाहे में

तिल तिल कर मरना या 

कमलपंखुरियों में बन्द हो कर 

साँस घुटते हुये मरना अथवा

कि दलदल में धंसते हुये आह! 

जीने की इच्छा को यों ही

बनाये रखने के लिये

तपते-सिंकते जाना सुलगती आग में

अरे नहीं रे कवि! 

दहकती आग में एक साथ 

जल कर मर जाना

अब तो सिर्फ़ सपना रहा

Bio: मूलत: हिन्दी कवि,अब तक सात कविता संग्रह (हिन्दी) प्रकाशित |गद्य लेखन में भी रुचि है |

झपट्टा मारने के लिये 

फड़फड़ा रहा है बाज़

कबूतरों ने आँखें मूंद ली हैं 

शुतुरमुर्गों के सिर 

ज़मीन में धँस रहे हैं 

मोर आँसू टपका रहे हैं 

अपने पाँवों को देख कर

मोरनियाँ कर रही हैं विलाप 

और कौए व्यस्त हैं 

बकवादी बहस में 

उधर हँस 

पुरस्कार लेने जा रहे हैं 

सुसज्जित 

ऐन उसी वक़्त 

एक चिड़िया 

अपने पंख तौल रही है 

बैठने को

बाज़ की पीठ पर 

Bio: मूलत: हिन्दी कवि,अब तक सात कविता संग्रह (हिन्दी) प्रकाशित |गद्य लेखन में भी रुचि है |

মৃত্যুকে দেখেছ কখনও 

অহংকারের সেই স্নিগ্ধ শীতল অনুভূতি।

যদি বলি আমি দেখেছি সেই মৃত্যুকে,

শুনেছি শব্দ সেই হিমশীতল মৃত্যুর হাতছানির

প্রতিটি নিঃশ্বাসে অনুভব করেছি তার স্পর্শ।

জীবন বলল কেমন তার রূপাভিমান,

কী এমন সৌন্দর্যের বাহার।

আমি বললাম,

স্বর্গ দেখেছ কখনও

যেখানে স্বপ্নেরা ওড়ে বাস্তবের মেঘের আড়ালে, ঠিক তেমন।

আমার দেখা সেই মৃত্যু ঠিক স্বর্গের মত

যেখানে স্বপ্নেরা মিশে যায় বাস্তবের আঙিনায়।

ক্লান্তির সীমাহীন বিষণ্নতা

শরীর তবুও এক হয়ে যায়

অভিমানেরা সব আপন হয়ে রয়।

যেখানে প্রকৃতির আপন খেয়ালি রং-তুলিতে ছবি আঁকা

কোথাও দিগন্তের নীলাভ অস্পষ্টতা, কোথাও বা সাদা।

না, কোনও খ্যাতির শীর্ষে নয়

দম্ভ-অহঙ্কারের মায়াজাল এড়িয়ে

অবশেষে নিজেকে খুঁজে পাওয়া নিজের কাছে।

হ্যাঁ, এমনই আমার দেখা সেই মৃত্যুর নীরবতা

আক্ষেপ নয় এক সাহসী অভিজ্ঞতা

জীবনের মূল্যবোধের স্পন্দিত সাহসিকতা।

Bio: আমি একজন পর্বতারোহী তথা ভ্রমণপিপাসু। আমার লেখা আমার অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। মনের ক্যানভাসে ধরা দেওয়া অভিজ্ঞতাগুলিকে ছবি, কবিতা, লেখনীর মাধ্যমে রূপদান আমার শখ।

জীবনটা ছিল  বড়ই সরল প্রথম বয়সে

খেয়ালীমন চলেছিলদিশাহীনপথে হাস্যে উপহাসে

যদিও ছিল চোখের জল ছিল না তার বিষানল

শুধুই ছিল ভাবনা হীন সরল ললাট

জীবন  সমুদ্র  পার  করতে  হবে  যে

কতই না  ছিল  আশা  আকাঙ্খা

বুকে  ছিল  ভালোবাসা  অফুরন্ত

তুমি  আসবে  বলে  না  এলেও  রাগ  হতোনা  তখন ………

অভিমানীমন  টা  তখন  শান্ত  হতো  ভেবে ………

তুমি  নিশ্চয়ই  আসবে  ভালোবাসা  নিতে

জীবন  তখন দেওয়া নেওয়ার অঙ্ক কষতেশেখে নিখেয়ালী  আকাশের  বুকে …..

অকৃপণ মন দিয়েছে অফুরন্ত

………………………………………………………………………………………………………………

হঠাৎদেখি  মেঘে  আকাশ থমথম

কালো  কালো  মেঘের  ভেলা

নীড়ে  ফিরে  যাচ্ছে  পাখি

আকাশের  মর্মভেদী  তীব্র  গর্জন

তবে কি একটু থামতে  হবে ?

বৃষ্টি নামবে এই  বেলা  ?

তবে কি কেউ  বলছে  আমায়  তৈরী  থেকো ….

এবার  আসছি  তোমায়  নিতে

অশান্ত মন শান্ত  করে  নিজেকে

দূর! পাগল এ সবই  ভ্রান্ত ধারণা

এখনো  তো  অনেক  বেলা  বাকি

চাওয়া  পাওয়ার  হিসেবটা-ই  করিনি এখনো শুরু ….

এখনো  তো  ভোরের আকাশেস্বর্নিম সূর্য কে দেখতে বড়ই ভালো লাগে

ভাষাহীন  অসীম  নীলাকাশে স্বপ্নের  জাল  বুনতে  বুনতে  হারিয়ে  যাই

বাতাসের  মর্মর  ধ্বনিতে ছন্দ  খুঁজে  পাই ….

এখনো  তো  আমার  হৃদয়  কার্পণ্য  করেনা

ভালোবাসা  দিতে  আর  নিতে

অমল ও দইওয়ালাতো  এখনো  কল্পনাতে  ঝাপসা  হয়নি

এখনো  তো  ভালো  লাগে  সেই  লুকো চুরি  আর  জমাটি  আড্ডা

তবে  কেন  এই  দিশা হীন  থামা ?

………………………………………………………………………………………………………………

আজকাল  মনটাবড়  ভারাক্রান্ত  ভেবে …..

তৈরী  থেকো  এবার  আসছি  তোমায়  নিতে

জীবনটা  বড়  বেপরোয়া লাগামছাড়া  মন

আজ  শুধুই  ভাবে  কি  পেয়েছি  আর  কি  পাইনি

এখন  ভাবে  অনেক  কিছুই  পাওয়ার  ছিলকরিনি  কেন  দাবি ?

ভাগ্য  করে  পরিহাস  …

পাওয়ার  হলে  এমনি  পেতে  করতে  হয়না  দাবী

তৈরি  থেকো  এবার  আমি  এসে  যাবো

বুকে  অনেক বল এনে  বলি

তা এসোনা  ভয়  পাই  নাকি ……চলে  এস  তুমি

জীবন  খাতার  পাতা  উল্টিয়ে  দেখি

দিয়েছি  আমি  অনেক

পাওয়ার  দিকের  পাল্লাটাও  বেশ  ভারী

ভালোবাসায়  ভরে  আছে  হৃদয়

এখন  হয়তো  দেওয়ানেওয়ার হিসেবে  শেষ

লাল  নীল  কালো  লেখার  হরফগুলো  বড়ই  ঝাপসা  লাগছে

মন টা আজ  ভারাক্রান্ত নেই

চললাম  আমি  নতুন  ভোরের  সন্ধানে

নতুন  জীবনের  পথে .. সাজাতে  আবার তরী

হয়তো  আমার  আর  নিঃশ্বাসনেওয়া  হয়নি

হয়তো  সেটাই  ছিল  তোমার  সাথে  শেষ  কথা

আরতি হোতা

Bio: After completing my graduation in bio science, I have done Master in Social Work and M.Sc Applied Psychology. Approx 18yrs I am associated with oncology in different role at different parts of India and working with palliative care since five yrs. I am very much passionate to work with psycho-social relationship of cancer tragedy and like to find facts /causal relationship through research. Presently I am working at cancer specialty hospital in North India (Bhagwan Mahaveer Cancer Hospital & Research Centre, Jaipur, Rajasthan) as a Psycho-oncologist. I am very much fond of reading novel, writing messy poems and travelling.

এখনও সন্ধ্যা নামে 

পাখির ডানায় করে ভর, 

আর পাখি হওয়ার ইচ্ছা চেপে 

আমিও আগের মত রোজ ফিরি ঘর

সেই ঘরে

যে ঘরে জন্ম আমার,

যে ঘরে আমার বটবৃক্ষ ছিলো আমার সাথে 

যার ভালোবাসা ছিলো শর্তহীন। 

কারণবিহীন। 

 

এখনও সন্ধ্যা নামে 

সূর্য দেয় ডুব ,

গাছেরা নৈশব্দের মাঝে পাতার গান শোনায় 

আর নদী হয় চুপ

সাথে আমিও চুপ হয়ে শুনি 

আমারও একটা বৃক্ষ ছিলো 

যার ছায়ায় 

যার মায়ায় 

আমি বেচেছি,  

এখনও বেঁচে আছি

 

এখনও সন্ধ্যা নামে 

আমি খালি পায়ে হাটার আওয়াজ শুনি,

আর মনে মনে দিন গুনি 

কিভাবে চলে যায় দিন

বটবৃক্ষ এখনও আমি তোমায় খুজি,

তোমায় ছাড়াই কেবল আমি তোমার মানে বুঝি।  

Bio: I am Bishal dhar shuvo from Dhaka, i am a professional content writer and independent musician and poet. poetry is the only way to express myself.

আমরা পাড়ি দিতেই তো পারি;

আশার গান গাইতেই তো পারি

আমরা যারা ওডিসিউস, তবু,

অযথা নির্জন দ্বীপে থাকি,

আমরা যারা নির্বাসনের

পালা পাৱণ করি,

ভুলে যাই

এই ঠান্ডা নিথর খাঁচা গুলোর

দরজা জানালা নাই;

নিষ্ঠুর কোনো এপ্রিল মাসে

তাই পাড়ি দিতেই তো পারি।

Bio: After Completion of my PhD from Glasgow University, Scotland, I am working at the current university as a faculty in the area of mathematical modelling in Economics. Writing is an integral part of my existence, mainly I am into Poetry and Short Stories. Reading, writing and travelling makes my life. I believe though there is a huge literature on forms of Poetry it is sublime and encompasses our everyday living.

এই দ্বিপেতে বাস করি

এই আমরা যারা দুঃখী –

এই আমরা যারা সুখী,

দ্বীপের ভিতর দ্বীপান্তরের

এই আমরা বহুরূপী,

মৃত্পাত্রে ভাত বেড়ে খাই

আদিম অশ্রু দিয়ে মাখি-

যা আদিম সূরা এই দ্বীপেরই

গাঢ় মেরুন পানশালাতে

আমরা মিথুন-মিথুন খেলি,

প্রাসাদ এসব

দ্বীপের যে সব পাঁজর ভেঙে গড়ি

দেয়ালে তাদের

আঁচড়ে আঁচড়ে আমরা ব্যভিচারী,

যদিও এখানে

আমরা সবাই মৃত্যু প্রবন খালি

এই দ্বীপের হয়না বয়স,

আমাদের দ্বীপ কালের বৈরাগী।

Bio: After Completion of my PhD from Glasgow University, Scotland, I am working at the current university as a faculty in the area of mathematical modelling in Economics. Writing is an integral part of my existence, mainly I am into Poetry and Short Stories. Reading, writing and travelling makes my life. I believe though there is a huge literature on forms of Poetry it is sublime and encompasses our everyday living.

আমাদের অস্তিত্বে সবচেয়ে বেশি

লালিত হয় ক্ষত।

নীল ক্ষতহলুদ ক্ষতলালচে গাঢ় ক্ষত।

নামেবেনামে অজস্র শত।

 

পূর্বপুরুষের কীর্তিগাথায়,

উত্তরসূরীর অনিশ্চয়তায়,

দৈন্য বাস্তবতায়বিঁধে থাকা ক্ষত।

 

আমাদেরই সাথে অন্তঃজীবীর মতো।

 

তোমার ক্ষত দেখা যায়না, বুঝিনা তার গভীরত্ব

জানি ক্ষয় হচ্ছে নিত্যঅবিরত।

                                   তবু জানা নাই

        আছে কিছু কী এর শেষে ?

 

ক্ষত আড়ালের কত চেষ্টা,

তবু ফুরায় না এর অশেষ তেষ্টা

যেন অসীম ধৈর্য আত্মপ্রকাশে,

আমাদের সত্তাজুড়ে তাই

                  নিযুত ক্ষত ভাসে।

 

এতো কিছুর মাঝেও

আমি চোখে খুঁজে ফিরি;

ক্ষতের আড়ালেআছে যে সত্তাটি অক্ষত ;

পড়ে আছেজীর্ণ নিভৃত

অনেক ক্ষতের ভিড়ে তাহাই সুন্দর

অনায়াসেই ব্যাপ্তি ঘটতে পারে তার ;

ক্ষুদ্র তবু স্বীয় সত্তার সহাস্য দীপ্তিতে,

নিপাতন ঘটুক সকল ব্যথার।

Bio: An incredibly simple man from Bangladesh who believes poetry is a fair justice ever done to humanity.

1 | 2